Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Test link

চর্যাপদ-বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ এর অন্য নাম হলো চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি । এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সময়কাল ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে, ৬৫০-১২০০ খ্রি.ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে, ৯৫০-১২০০ খ্রি.ড. সুকুমার সেনের মতে, ৯০০-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ


চর্যাপদ কী?

চর্যাপদ গানের সংকলন বা সাধন সংগীত যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয় বা এ গানের সংকলন বা সাধন দোহা' নামে প্রকাশিত হয়। সংগীতের সাহায্যে কোনটি চর্য (আচরণীয়) আর কোনটি অ- চর্য (অনাচরণীয়) তা বিনিশ্চয় (নির্ণয়) করা যেতে পারেড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি চর্যাপদের ২৩ নং এর অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ পাওয়া যায়নি।. যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতা যথাক্রমে-

২৩ নং- ভুসুকুপা, ২৪নং- কাহ্নপা, ২৫নং- তান্তীপা, ৪৮নং- কুক্কুরীপাচর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা কাহ্নপা তিনি ১৩টি পদ রচনা করেন। যথা: ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৮, ১৯, ২৪ (পাওয়া যায় নি), ৩৬, ৪০, ৪২, ৪৫। চর্যার পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যুক্ত হয়েছে। চর্যায় যারা পদ রচনা করেছেন তাদের প্রত্যেককে ‘মহাসিদ্ধ' বলা হয়ে থাকে। চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়। এর প্রথম পদ হচ্ছে কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল / চঞ্চল চীএ পইঠো কাল । এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা। মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলোকে টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন । [মুনিদত্ত ১১ নং পদের ব্যাখ্যা প্রদান করেননি] ১৯৩৮ সালে এর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন প্রবোধচন্দ্র বাগচীচর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র

চর্যাপদ আবিষ্কারের ইতিহাস

১৮৮২ সালে ‘বিবিধার্থ পত্রিকার সম্পাদক রাজেন্দ্রলাল মিত্র Sanskrit Buddhist Literature in Nepal E নেপালে প্রাপ্ত সংস্কৃত ভাষায় রচিত বিভিন্ন বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন। রাজেন্দ্রলালের মৃত্যুর পর তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাংলা, বিহার ও আসাম অঞ্চলের পুঁথি সংগ্রহের দায়িত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগীয় প্রধান মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপর। তিনি তৃতীয়বারের (প্রথমবার ১৮৯৭, দ্বিতীয়বার-১৮৯৮) প্রচেষ্টায় ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে নতুন কিছু পুঁথির সন্ধান পান যা'চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব', 'সরহপাদের দোহা' ও'কৃষ্ণপাদের দোহা' নামে পরিচিত। এর মধ্যে 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষায় এবং বাকী তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১) মহামহোপাধ্যায় ( মহামহোপাধ্যায় তাঁর উপাধি ) ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ' আবিষ্কারের পর ১৯১৫ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে নেপাল থেকে প্রাপ্ত তালপাতার পুঁথির একটি তালিকা A Catalogue of Palm Leaf and selected Paper MSS belonging to the Durbar Library, Nepal প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে এটি তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ ব.) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে ‘চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব', 'সরহপাদের দোহা' ও ‘কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলনে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদ রচনার সময়কাল ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রি.। ড. সুকুমার সেনের মতে- ৯০০ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ।

চর্যাপদ নেপালে পাওয়ার কারণ

চর্যাপদ রচনার সময়কালে বাংলায় পাল রাজারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। তাঁরা প্রায় চারশত বছর বাংলা শাসন করেছে। এর পরবর্তীতে আসে সেন বংশ। ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সেন রাজারা ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী। কিন্তু চর্যাপদের রচয়িতারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাই ধর্মীয় সংকীর্ণতায় নিমজ্জিত সেন সময়কালের কতিপয় হিন্দু ব্রাহ্মণ বৌদ্ধদের ওপর নিপীড়ন চালায়। আবার, ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজীর বাংলায় আগমন ঘটলে মুসলিম তুর্কিদের আক্রমণের ভয়ে বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ প্রাণের ভয়ে পুঁথিপত্র নিয়ে নেপাল, ভুটান ও তিব্বতে পালিয়ে যায়। এ কারণেই চর্যাপদ নেপালে পাওয়া যায়।

চর্যাপদের কবিদের পরিচয়

চর্যাপদের কবি/পদকর্তা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে- ২৩ জন। ড. সুকুমার সেনের মতে- ২৪ জন। কবি / পদকর্তাদের নাম যথা: আর্যদেবপা, কঙ্কণপা, কম্বলাম্বরপা, কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, গুগুরীপা, চাটিলপা, জয়নন্দীপা, ঢেগুণপা, ডোম্বীপা, তান্তীপা, তাড়কপা, দারিকপা, ধৰ্ম্মপা, বিরূপা, বীণাপা, ভাদেপা, ভুসুকুপা, মহীণ্ডাপা, লাড়িডোম্বীপা, লুইপা, শবরপা, শান্তিপা, সরহপা। নিচে কয়েকজন পদকর্তার পরিচয় তুলে ধরা হলো।

লুইপা

সাধারণত লুইপাকে আদি চর্যাকার বা আদি সিদ্ধাচার্য বিবেচনা করা হয় । ‘লুই' শব্দটি ‘রোহিত' শব্দ হতে উদ্ভূত। লুইপা বাঙালি বলে অনুমিত । তিনি চর্যাপদের ১ নং ও ২৯ নং পদের চর্যাকার। তার জন্মস্থান উড়িষ্যায় । তারানাথের মতে, তিনি গঙ্গার ধারে বাস করতেন । তিনি ছিলেন উড়িষ্যার রাজা ও মন্ত্রীর গুরু। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তাঁর জীবনকাল ৭৩০- ৮১০ খ্রিষ্টাব্দ । তিনি সংস্কৃত ভাষায় ৪/৫টি গ্রন্থ রচনা করেন । তার লিখিত চর্যাপদের ১ নং পদের প্রথম দুটি চরণ হলো -

কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল
চঞ্চল চীএ পইঠা কাল ৷৷
চরণদ্বয়ের আধুনিক বাংলা হলো : দেহ গাছের মত, এর পাঁচটি ডাল । চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করে।

কাহ্নপা

চর্যাদের কবিদের মধ্যে সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেন কাহ্নপা । চর্যাপদে তাঁর পদের সংখ্যা ১৩টি। তিনি কাহ্নপা, কৃষ্ণবজ্রপাদ, কাহ্ন, কানু, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য প্রভৃতি নামে পরিচিত ছিলেন। এ নামগুলো তার রচিত পদগুলোর ভূমিকায় পাওয়া গিয়েছে। কাহ্নপার জীবনকালের শেষ সীমা ৮৪০ খ্রিষ্টাব্দ। তাঁর জন্ম উড়িষ্যায় হলেও তিনি বিহারে বসবাস করতেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি সহজিয়া তান্ত্রিক বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের যোগী ছিলেন। তিনি ধর্মশাস্ত্র ও সঙ্গীতশাস্ত্র উভয়দিকেই দক্ষ ছিলেন । তিনি ডোম্বীর প্রেমে পড়ে নিজের সাধনা জলাঞ্জলি দিয়েছিলেন বলে তার রচনা হতে জানা যায় (১০ নং পদ)। চর্যাপদের ১৩নং ও ১৮নং পদে তার বিবাহের সংবাদ রয়েছে। চর্যাপদ ছাড়া তিনি অপভ্রংশ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেন । তিনি দেবপালের রাজত্বকালে বর্তমান ছিলেন ।

ভুসুকুপা

চর্যাপদের পদ রচনার সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় হচ্ছেন ভুসুকুপা। তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন। ভুসুকুপার প্রকৃত নাম শান্তিদেব। পদ রচনায় তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। ভূক্তি (ভু) সুপ্তি (সু) কুটিরে (কু) অবস্থান করতেন বলে তাকে ভুসুকু বলা হয়। রাহুল সাংকৃত্যায়নের মতে, ভুসুকুপার জীবনকালের শেষ সীমা ৮০০ খ্রিষ্টাব্দ। ভুসুকুপা সৌরাষ্ট্রের রাজপুত্র ছিলেন। শেষ জীবনে তিনি নালন্দায় বৌদ্ধ ভিক্ষু হিসেবে অবস্থান করেন। তাকে বাঙালি কবি হিসেবে অনুমান করেছেন পণ্ডিতগণ। কারণ, তাঁর পদে পদ্মা (পউয়া) খালের নাম আছে, বঙ্গাল দেশ ও বঙ্গালীর কথা আছে।

কুক্কুরীপা

কুক্কুরীপা তিব্বত অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। তিনি আনুমানিক অষ্টম শতকের প্রথম ভাগে বর্তমান ছিলেন। কুক্কুরীপা নামটি সংস্কৃত শব্দ 'কুক্কুট পাদ' এর বিকৃতরূপ। যে সব পণ্ডিত নানা রকম শাস্ত্র নিয়ে আলোচনায় মত্ত থাকতেন তাদের উপহাস করে কুক্কুটপাদ বলা হত। চর্যাপদের তিনটি পদের রচয়িতা কুক্কুরীপা। তার পদের ভাষা গ্রাম্য, ভাব ইতর । তিব্বতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী তিনি একটি নেড়ি কুকুর পুষতেন । তাকে মহিলা কবি মনে করা হয়। তিনি ইন্দ্রভূতির অন্যতম গুরু ।

মৎস্যেন্দ্রনাথ

চর্যাপদের প্রথম বাঙালি কবি মৎস্যেন্দ্রনাথ বা মীননাথ বলে ধরা হয়। তিনি নাথ ধর্মের আধ্যাত্মিক গুরু । তিনি আনুমানিক সপ্তম শতকে বর্তমান ছিলেন। চর্যাপদে মীননাথের কোন পূর্ণাঙ্গ পদ পাওয়া যায়নি। তবে ২১নং পদের টীকায় তার চারটি পদের উল্লেখ রয়েছে।

বীরুআপা

তিনি ত্রিপুরার অধিবাসী ছিলেন। বিরুআপা নামটির মূল সংস্কৃত হচ্ছে - 'বিরুপাক'। টীকাকার কর্তৃক বিরুআপার নাম বলা হয়েছে বিরুপবজ্র । তার জীবনকালের শেষ সীমা ৮৩০ সাল। চর্যাপদে তার পদ মাত্র ১টি যাতে শুঁড়িবাড়ির বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে। রাহুল সাংকৃত্যায়নের মতে, ভিক্ষুকরূপে সোমপুর বিহারে বাস করতেন তিনি ।

শবরপা

তিনি চর্যার আদি পদকর্তা। তাঁর জীবনকাল অষ্টম শতকের প্রথমার্ধ - (৬৮০ থেকে ৭৬০)। তিনি ছিলেন বাঙালি ও ব্যাধ এবং লুইপার শুরু। তিনি চর্যাপদের ২৮ ও ৫০ নং পদের রচয়িতা। তাকে চর্যার শ্রেষ্ঠ কবি মনে করা হয় । তার রচিত চর্যার বিষয়বস্তু হলো শবর শবরীর প্রেমকাহিনী । ২৮ নং পদের প্রথম দুটি লাইন হলো -

উষ্ণা উষ্ণা পাবত তহি বসই সবরী বালী
মোরাঙ্গ পীচ্ছ পরিহান সবরী গীবত গুঞ্জরী মালী॥

এর আধুনিক বাংলা হলো : উঁচু পর্বতে সবরী বালিকা বাস করে। তার পরিধানে ময়ূরের পুচ্ছ, গলায় গুঞ্জার মালা ।

সরহপা

সরহপার জন্মস্থান ছিল রাজ্ঞীদেশ সম্ভবত উত্তরবঙ্গ কামরূপ । কামরূপের রাজা রত্মপাল ছিলেন তাঁর শিষ্য। চর্যাপদে তার পদসংখ্যা ৪টি । তার রচিত পদে শবর-শবরীর প্রেম ভালোবাসার বর্ণনা ছাড়াও সরল তত্ত্বকথা বর্ণিত হয়েছে। তার রচিত চর্যার ৩৮নং পদে খেয়া নৌকায় এপার ওপার যাওয়ার বর্ণনা রয়েছে। তাঁর পদাবলির ভাষা বঙ্গ-কামরূপী । তিনি চর্যাপদ ছাড়াও অবহটঠ ভাষায় দোহাকোষ রচনা করেন। তিনি আনুমানিক দশম-একাদশ শতকের কবি।

ঢেগুণপা

ঢেগুণ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঢেঁড়ি অর্থাৎ ডুগডুগি বাজিয়ে ভিক্ষা মাগে যে । ঢেগুণপা'র জন্মস্থান অবন্তিনগর-উজ্জয়িনী। তাঁর জীবৎকালের ঊর্ধ্বসীমা ৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দ । তিনি চর্যাপদের ৩৩নং পদের রচয়িতা। তার পদের বিষয় লোকপরিচিতি ও প্রহেলিকামালা। তার পদে বাঙালির চিরায়ত জীবনচিত্র ও দারিদ্র্যের ভয়ঙ্কর রুপ অতি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। তার পদটির প্রথম দুটি পঙতি-

টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী
হাড়িত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী॥

এর আধুনিক বাংলা হলো : টিলাতে আমার বাস প্রতিবেশী নেই,হাঁড়িতে ভাত নেই প্রতিদিন অতিথি এসে ভীড় করে।

চর্যাপদের পদকর্তাগণ কে কতটি পদ রচনা করেন?

পদকর্তার নামপদের সংখ্যা





অবশিষ্ট পদকর্তাগণ ১টি করে পদ রচনা করেন। লাড়ীডোম্বী পা'র নাম পাওয়া গেলেও তাঁর কোন পদ পাওয়া যায়নি।
কাহ্নপা১৩ টি (৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৮, ১৯, ২৪ (পাওয়া যায় নি), ৩৬, ৪০, ৪২, ও ৪৫ নং পদ )
ভুসুকু পা (বাঙালি কবি)৮ টি ( ৬,২১,২৩,২৭,৩০,৪১,৪৩ ও ৪৯ নং পদ)
সরহ পা৪ টি ( ২২,৩২,৩৮ ও ৩৯ নং পদ )
কুক্কুরী পা (মহিলা কবি)৩ টি ( ২,২০ ও ৪৮ নং পদ )
লুই পা, শবর পা,শান্তি পা২ টি করে

চর্যাপদের প্রবাদ বাক্য কয়টি ও কী কী?

চর্যাপদের প্রবাদ বাক্য ৬টি । যথা:
অপণা মাংসে হরিণা বৈরী (৬নং পদ- ভুসুকুপা)। অর্থ: হরিণের মাংসই তার জন্য শত্রু।
হাথে রে কাঙ্কাণ মা লোউ দাপণ (৩২নং পদ- সরহপা)। অর্থ: হাতের কাঁকন দেখার জন্য দর্পণ প্রয়োজন হয় না।
হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেসী (৩৩নং পদ- ঢেণ্ডণপা)। অর্থ: হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রতিদিন প্রেমিকরা এসে ভীড় করে।
দুহিল দুধু কি বেন্টে ষামায় (৩৩নং পদ- ঢেণ্ডণপা)। অর্থ: দোহন করা দুধ কি বাটে প্রবেশ করানো যায়?
বর সুণ গোহালী কিমো দুঠ বলন্দে (৩৯নং পদ- সরহপা)। অর্থ: দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল।
অণ চাহন্তে আণ বিণঠা (৪৪নং পদ- কঙ্কণপা)। অর্থ: অন্য চাহিতে, অন্য বিনষ্ট।

প্রাচীনতম ও আধুনিকতম চর্যাকার কে?

উত্তর: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, প্রাচীনতম শবর পা (৬৮০-৭৬০ খ্রিস্টাব্দ) এবং আধুনিকতম ভুসুকুপা। শবরপা, ভুসুকুপা ও লুইপা বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত।

চর্যাপদের ভাষা কোনটি?

উত্তর: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা। ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম ‘বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

সন্ধ্যা ভাষা কী?

যে ভাষা সুনির্দিষ্ট রূপ পায় নি, যে ভাষার অর্থ একাধিক অর্থাৎ আলো-আঁধারের মতো, সে ভাষাকে পণ্ডিতগণ সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বলেছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাগীতি' বা 'চর্যাপদ' এ ভাষায় রচিত। ‘চর্যাগীতি' বা ‘চর্যাপদ' গানের সংকলন বা সাধন সংগীত যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। সন্ধ্যা ভাষা সম্পর্কে চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেন, ‘আলো-আঁধারির ভাষা, কতক আলো, কতক অন্ধকার, খানিক বুঝা যায়, খানিক বুঝা যায় না'। চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) (১৯২৬) গ্রন্থে ।

চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে ধারণা

১৯২৭ সালে এর ধর্মমত নিয়ে আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ‘Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাগীতি বা চর্যাপদ। চর্যাগীতি বা চর্যাপদ গানের/কবিতার সংকলন বা সাধন সংগীত যা বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এগুলো মূলত মহাজ্ঞান ধর্মশাখার অন্তর্গত সহজযান ধর্মশাখার সাধনসংগীত। বৌদ্ধ ধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব চর্যাপদে বিধৃত। ‘মহাসুখরূপ নির্বাণ লাভ' হলো চর্যার প্রধান তত্ত্ব। এ সম্পর্কে চর্যাকার ভুসুকুপা বলেছেন, 'সহজানন্দ মহাসুহ লীলে'। চর্যাপদ বৌদ্ধধর্মের মূলগত ভাবনার অনুসারী হলেও এখানে প্রাধান্য লাভ করেছে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম।

চর্যাপদের ভাষা সম্পর্কিত বিতর্কের ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়' বা 'চর্যাগীতিকোষ' বা 'চর্যাগীতি' বা 'চর্যাপদ'। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে এটি আবিষ্কার করেন। শাস্ত্রীর সম্পাদনায় ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ ব.) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে ‘চৰ্যাচর্য্যবিনিশ্চয়', 'ডাকার্ণব' ও 'সরহপাদের দোহা' ও ‘কৃষ্ণপাদের দোহা' গ্রন্থের সম্মিলন 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।এটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয় এর ভাষা নিয়ে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'চর্যাপদ' গ্রন্থটিকে সম্পূর্ণ প্রাচীন বাংলার নিদর্শন বলে দাবি করেন। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ তাঁর এ দাবিকে সমর্থন করেন। ১৯২০ সালে বিজয়চন্দ্র মজুমদার History of the Bengali Language গ্রন্থে চর্যাগীতির ভাষাকে প্রাচীন বাংলা বলতে অস্বীকার করেন। এছাড়াও হিন্দি, অসমিয়া, উড়িষ্যা প্রভৃতি ভাষাবিদরা নিজ নিজ ভাষার আদি নিদর্শন বলে দাবি করেন।১৯২৬ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) (১৯২৬) গ্রন্থে চর্যাগান ও দোহাগুলির ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ এবং চর্যার কবিদের নাম, পদ্মা নদীর নামের উল্লেখ (ভুসুকুপার ৪৯ নং পদে 'পউয়া খাল') বিশ্লেষণ করে এর ভাষাকে প্রাচীন বাংলার আদি নিদর্শন হিসেবে গ্রহণ করেন। ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্যারিস থেকে প্রকাশিত 'Les Chants Mystique de Saraha et de Kanha' গ্রন্থে সুনীতিকুমারের মতকে সমর্থন করেন। তাঁর মতে, এর ভাষার নাম বঙ্গকামরূপী। তারপরও সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা বলতে পারি যে, এটি সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষায় এবং মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

নবচর্যাপদ কী?

‘নবচর্যাপদ' চর্যাপদের অনুরূপ রচনা। শশীভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৬৩ সালে নেপাল ও তরাইভূমি থেকে ২৫০টি পদ আবিষ্কার ও সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ১০০টি পদ তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পরবর্তীতে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৮৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘নবচর্যাপদ' নামে সেগুলোর মধ্য থেকে ৯৮টি পদ সংকলন করে প্রকাশ করেন। এ পদগুলোর রচনাকাল বারো থেকে ষোলো শতকের মধ্যে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন চর্যাপদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা নিরন্তর চলমান। প্রাচীন যুগের একমাত্র সাহিত্যিক নিদর্শন চর্যাপদ প্রকাশের ১০০ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও ফোকলোর বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ চর্যাপদ গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করেন। তাঁর সংকলিত ও সম্পাদিত চর্যাপদের নাম ‘নতুন চর্যাপদ”। নতুন চর্যাপদ মূলত বজ্রযানী দেবদেবীর আরাধনার গীত। এর পদগুলোতে তান্ত্রিক নানা দেবদেবীর রূপসৌন্দর্য, মুখ ও বাহুর বর্ণনা, তাঁদের আসন, মুদ্রা ও দেহভঙ্গি, তাঁদের আভরণ ও আয়ুধ ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্য ও বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে। এটি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি বইমেলায় প্রকাশিত হয় এবং উৎসর্গ করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে। ২০০৮ সালে ড. শাহেদ কাঠমুন্ডু ও আশেপাশের বিভিন্ন বজ্রযানী মন্দিরে পুঁথি সংগ্রহ করতে গিয়ে রত্নকাজী বজ্রাচার্যের নিকট থেকে নতুন চর্যাপদের দুটি সংকলিত পুস্তক সংগ্রহ করেন। এ পুস্তক দুটির পদগুলো ছিলো নেওয়ারিমিশ্রিত দেবনাগরী অক্ষরে মুদ্রিত। নতুন চর্যাপদে যেসব পদ সংকলিত হয়েছে সেগুলোর রচনাকাল অষ্টম থেকে বিশ শতক পর্যন্ত। সুতরাং নতুন এই চর্যাপদ প্রমাণ করে যে, চর্যাপদ কেবল প্রাচীন সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, মধ্যযুগেও এগুলোর রচনা অব্যাহত ছিল। এমনকি বিশ শতকেও চর্যাপদ রচিত হয়েছে। সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ সংকলিত ও সম্পাদিত নতুন চর্যাপদে ৩৩৫টি পদ সংকলিত হয়েছে। এছাড়া পরিশিষ্ট অংশে রাহুল সাংকৃত্যায়ন সংগৃহীত ২০টি, শশিভূষণ দাশগুপ্ত সংগৃহীত ২১টি এবং জগন্নাথ উপাধ্যায় সংগৃহীত ৩৭টি পদ সংকলিত হয়েছে। সে হিসেবে এ গ্রন্থে সংকলিত নতুন চর্যাপদের মোট সংখ্যা ৪১৩টি। নতুন চর্যাপদের ভূমিকা অংশটি চার ভাগে বিভক্ত।

প্রথম অংশ → ‘নতুন চর্যার সংগ্রহ ও চর্যাকার পরিচয়।’
দ্বিতীয় অংশ → ‘নতুন চর্যায় বজ্রযানী দেবদেবী।'
তৃতীয় অংশ → ‘নতুন চর্যার আঙ্গিক, ভাষা ও ভূগোল ।'
চতুর্থ অংশ → ‘চর্যাপদ ও নতুন চর্যা'।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর

১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি ? [ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিনটেনডেন্ট: ১৯/ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাঃ ১৯]

  • মহাভারত
  • চর্যাপদ
  • রামায়ণ
  • জঙ্গনামা

২. বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ / আদি নিদর্শন কোনটি ? [ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১৯/ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ১৯/ মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের অধীন জুনিয়র অডিটরঃ ১৪]

  • শ্রীকৃষ্ণবিজয়
  • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  • শূন্যপুরাণ
  • চর্যাপদ

৩. প্রাচীন যুগের বাংলাভাষার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কী ? [ সহকারী উপজেলা / থানা শিক্ষা অফিসার: ১৬]

  • লায়লী-মজনু
  • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  • চর্যাপদ
  • পদ্মাবতী

৪. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম গ্রন্থ কোনটি ? [ উপজেলা পোস্টমাস্টার : ১০ / প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মিসিসিপি): ১৩/ তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক (গণযোগাযোগ প্রশিক্ষণ): ০১ ]

  • চর্যাপদ
  • বৈষ্ণব পদাবলি
  • ঐতরেয় আরণ্যক
  • দোহাকোষ

৫. চর্যাপদ হলো মূলত / চর্যাপদ এক প্রকার- [ বিআরডিবি'র উপজেলা পল্লী উন্নয়র কর্মকর্তাঃ ১২/ জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তরের সঞ্চয় অফিসারঃ ১০]

  • গানের সংকলন
  • কবিতার সংকলন
  • প্রবন্ধের সংকলন
  • কোনোটিই নয়

৬. 'চৰ্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়'- এর অর্থ কী ? [ ৩৭তম বিসিএস ]

  • কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
  • কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
  • কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
  • কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়

৭. 'চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য ? [ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সহকারী পরিচালক: ১৩/ সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (জরিপ অধিদপ্তর): ০৫]

  • সনাতন হিন্দু
  • সহজিয়া বৌদ্ধ
  • জৈন
  • হরিজন

৮. কোন রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয় ? [ উপজেলা পোস্টমাস্টার: ১০]

  • পাল
  • সেন
  • মোগল
  • তুর্কি

৯. চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে ? [ ২৮তম বিসিএস / সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা: ১৬]

  • আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
  • বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে
  • নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
  • সুদূর চীন দেশ থেকে

১০.'চর্যাপদ' কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে / পাওয়া যায় ? [ সাব রেজিস্টারঃ ১৬ / পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিকল্পনা কর্মকর্তা: ১২/ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইফার অফিসার : ১২]

  • তিব্বত
  • বাংলাদেশ
  • নেপাল
  • চীন

১১. বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ' আবিষ্কৃত হয় কত সালে ? [ ৩৪/৩০ তম বিসিএস]

  • ২০০৭ সালে
  • ১৯০৭ সালে
  • ১৯১৬ সালে
  • ১৯০৯ সালে

১২. বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন চর্যাপদ এর আবিষ্কারক ? [ ১৭তম বিসিএস ]

  • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  • ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • ড. সুকুমার সেন

১৩.'চর্যাপদ' প্রথম কোথা থেকে প্রকাশিত হয় ? [ সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসার: ১৩]

  • বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
  • এশিয়াটিক সোসাইটি
  • শ্রীরামপুর মিশন
  • ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ

১৪.বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত ‘চর্যাপদ' কে সম্পাদনা করেন ? [ ৭ম বিজেএস (সহকারী জজ) প্রাথমিক পরীক্ষা: ১২]

  • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  • শ্রী হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • ড. দীনেশচন্দ্র সেন
  • শ্রী হরলাল রায়

১৫. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'চর্যাপদ' যে গ্রন্থে প্রকাশ করেছিলেন তার নাম হল- [সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজ সংগঠক : ০৫ ]

  • চর্যাপদাবলি
  • হাজার বছরের পুরাণ বাঙালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
  • চর্যাচর্য্যবিনিশ্চয়
  • চর্যাগীতিকা

১৬. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সাহিত্য সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলেন- [শ্রম পরিদপ্তরের জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা : ০৯]

  • তিব্বত, নেপাল
  • ভুটান, সিকিম
  • কাশী, বেনারস
  • বোম্বে, জয়পুর

১৭. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের নিদর্শন কোনটি ? [ ৩৫তম বিসিএস]

  • নিরঞ্জনের রুম্মা
  • দোহাকোষ
  • গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস
  • ময়নামতীর গান

১৮.‘চর্যাপদ' রচনাটি বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের কাব্য নিদর্শন ? [ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কো. লি. ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার: ১১]

  • আদিযুগ
  • মধ্যযুগ
  • আধুনিক যুগ
  • অতি আধুনিক যুগ

১৯. কোন সাহিত্যেকর্মে সান্ধ্যভাষার প্রয়োগ আছে ? [ বাংলাদেশ টেলিভিশন এর প্রযোজক: ০৬]

  • চর্যাপদ
  • গীতগোবিন্দ
  • পদাবলি
  • চৈতন্যজীবনী

২০. বাংলা সাহিত্যের আদিগ্রন্থ ‘চর্যাপদ' এর রচনাকাল- [ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কারা তত্ত্বাবধায়ক : ১০]

  • সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক
  • অষ্টম থেকে চতুর্দশ শতক
  • নবম থেকে চতুর্দশ শতক
  • দশম থেকে চতুর্দশ শতক

২১. চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা ? [৩৩ তম বিসিএস ]

  • অক্ষরবৃত্ত
  • মাত্রাবৃত্ত
  • স্বরবৃত্ত
  • অমিত্রাক্ষর ছন্দ

২২. প্রাপ্ত চর্যাপদের পদকর্তা কতজন ? [ সোনালী ব্যাংক লি. অফিসার: ১০/ থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার ৯৯]

  • ১৯
  • ২৩
  • ২৫
  • ২৭

২৩. চর্যাপদে কতজন কবির পদ রয়েছে ? [জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ১৫ ]

  • ২৭
  • ২৬
  • ২৪
  • ২৫

২৪. বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে ? [ ২৯তম বিসিএস]

  • কাহ্নপা
  • চেগুনপা
  • লুইপা
  • ভুসুকুপা

২৫. চর্যাপদের আদি কবি কে ? [বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। ১৯/ সোনালী ও জনতা ব্যাংক অফিসার (আইটি): ১৯/ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা: ১৫ ]

  • কাহ্নপা
  • চেগুনপা
  • লুইপা
  • ভুসুকুপা

২৬. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কাকে চর্যার আদি কবি মনে করেন ? [ আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরের সার্কেল অ্যাডজুটেন্ট : ১০]

  • কাহ্নপা
  • চেগুনপা
  • লুইপা
  • ভুসুকুপা

২৭. সবচেয়ে বেশী চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির ? [ ৩৫তম বিসিএস]

  • লুইপা
  • শবরপা
  • ভুসুকুপা
  • কাহ্নপা

২৮. চর্যাগীতি রচনায় সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী কে ? [ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ): ০৩]

  • জয়দেব
  • ভুসুকুপা
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • কাহ্নপা

২৯. কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন ? [ ৩০তম বিসিএস ]

  • গোবিন্দ দাস
  • কায়কোবাদ
  • কাহ্নপা
  • ভুসুকুপা

৩০.‘সন্ধ্যাভাষা' কোন সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত ? [ ৩৮তম বিসিএস]

  • চর্যাপদ
  • পদাবলি
  • মঙ্গলকাব্য
  • রোমান্সকাব্য

৩১. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদের পদসংখ্যা- [ সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার: ১০]

  • ৪৬টি
  • সাড়ে ৪৬টি
  • ৪৯টি
  • ৫০টি

৩২. চর্যাপদের কোন পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া যায় ? [ শ্রম পরিদপ্তরের জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা : ০৯ ]

  • ১০নং পদ
  • ১৬নং পদ
  • ১৮নং পদ
  • ২৩নং পদ

৩৩. 'অপণা মাংসে হরিণা বৈরী' লাইনটি কোন সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ? [ ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা : ০৬]

  • লোকসাহিত্য
  • ব্রজবুলি
  • চর্যাপদ
  • বৈষ্ঞব পদাবলি

৩৪. 'চঞ্চল চীএ পইঠা কাল' কোন কবির চর্যাংশ ? [ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা): ০৯-১০]

  • বিরুপা
  • লুইপা
  • শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর
  • কুক্কুরীপা

৩৫.‘টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী, হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী'।- চর্যাপদের এ চরণ দুটিতে কী বোঝানো হয়েছে ? [ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ডাক অধিদপ্তরের পোস্টাল অপারেটর: ১৬ ]

  • প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসা
  • আত্নীয়ের প্রতি ভালোবাসা
  • দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের চিত্র
  • একাকীত্বের কথা

৩৬. চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম কে প্রমাণ করেন ? [ খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্য পরিদর্শক : ১১]

  • ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  • সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • ড. এনামুল হক

৩৭. ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের ভাষা- [জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা: ১২ ]

  • ব্রজবুলি
  • জগাখিচুড়ি
  • বঙ্গ-কামরূপী
  • সন্ধ্যাভাষা

৩৮. কোন পণ্ডিত চর্যাপদের পদগুলোকে টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন ? [পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান অ্যাসিসটেন্ট অফিসার: ১৪/ সোনালী ব্যাংক লি. সিনিয়র অফিসার: ১০ ]

  • কাহ্নপা
  • লুইপা
  • ডাকার্ণব
  • মুনিদত্ত

৩৯. চর্যাপদ হলো- [বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার: ১৮ ]

  • একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ
  • সাধন সংগীত
  • জীবনাচরণ পদ্ধতি
  • দেবী বন্দনা

৪০. কোন ব্যক্তি সম্প্রতি নতুন চর্যাপদ আবিষ্কার করেন ? [ পূবালী ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার: ১৯]

  • সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • আনিসুজ্জামান
  • ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ

৪১. চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে ? [ ৪০তম বিসিএস ]

  • খ্রীস্টধর্ম
  • প্যাগনিজম
  • জৈনধর্ম
  • বৌদ্ধধর্ম

৪২. উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন ? [ ৪০তম বিসিএস]

  • কাহ্নপাদ
  • লুইপাদ
  • শান্তিপাদ
  • রমনীপাদ

৪৩. চর্যাপদের অধ্যাত্মভাবনা ও সাহিত্যিক উৎকর্ষের সর্বোত্তম সমন্বয় ঘটেছে যার মাধ্যমে- [ সমন্বিত ৭ ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ২১]

  • সমাজচিত্র
  • জীবনভাবনা
  • ভাষা
  • কাব্যিকতা

৪৪. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রথম কোথা থেকে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার 'করেন ? [ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক: ২২]

  • চীনের রাজদরবার
  • নেপালের রাজদরবার
  • ভারতের গ্রন্থাগার
  • শ্রীলংকার গ্রন্থাগার

৪৫. চর্যাপদের টীকাকারের নাম কী ? [ ৪১তম বিসিএস]

  • মীননাথ
  • প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • মুনিদত্ত

৪৬. বাংলা ভাষায় প্রথম কবিতা সংকলন কোনটি ? [কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদ: ২১ ]

  • চর্যাপদ
  • বৈষ্ণব পদাবলি
  • ঐতরেয় আরণ্যক
  • দোহাকোষ

৪৭. 'রুখের তেগুলি কুমীরে খাই' এর অর্থ কী ? [৪৩তম বিসিএস ]

  • তেজি কুমিরকে রুখে দিই
  • বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
  • গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
  • ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়

৪৮. চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য কি ছিল ? [জীবন বীমা কর্পোরেশনের অফিস সহকারী: ২১ ]

  • নীতি চর্চা
  • ধর্ম চর্চা
  • সাহিত্য চর্চা
  • অনুবাদ চর্চা

৪৯. লুইপা কোন যুগের কবি ? [পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ২২ ]

  • প্রাচীন যুগ
  • আদি-মধ্যযুগ
  • মধ্যযুগ
  • আধুনিক যুগ

৫০. 'চর্যাপদ' এর আদি পদ রচয়িতা- [ দুদকের কোট পরিদর্শক: ২২]

  • শবরপা
  • ভুসুকুপা
  • লুইপা
  • কাহ্নপা

৫১. চর্যাপদের কতটি পদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ? [ ডাক বিভাগের উচ্চমান সহকারী: ২২ ]

  • সাড়ে ছেচল্লিশটি
  • একান্নটি
  • আটচল্লিশটি
  • উনপঞ্চাশটি

৫২. চর্যাপদের ভাষাকে 'সান্ধ্য ভাষা' বলেছেন কে ? [সহকারী জজ: ২২ ]

  • মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  • সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  • বিজয়চন্দ্র মজুমদার

৫৩. চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা- [ উত্তরা ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার: ২২]

  • লুইপা
  • কাহ্নপা
  • ভুসুকুপা
  • শবরপা

৫৪. চর্যাপদের পুথিগুলো গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কোন সালে ? [ খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী: ২২]

  • ১৯০৭ সালে
  • ১৯১৬ সালে
  • ১৮১৬ সালে
  • ১৯১৭ সালে

৫৫. চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন ? [ খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী: ২২]

  • লুইপা
  • কাহ্নপা
  • ভুসুকুপা
  • শবরপা

৫৬. চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে ? [ ৪৫তম বিসিএস ]

  • প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  • যতীন্দ্রমোহন বাগচী
  • প্রফুল্ল মোহন বাগচী
  • প্রণয়ভূষণ বাগচী

৫৭. চর্যাপদের কবি কারা ? [জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ২৩ ]

  • কৃত্তিবাস, চন্দ্রাবতী, কাশীরাম দাস
  • বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজ মাধব
  • চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস
  • লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা

৫৮. নিচের কোনটি সহোদর ভাষাগোষ্ঠী ? [সমবায় অধিদপ্তরের দ্বিতীয় শ্রেণির অফিসার : ৯৭ ]

  • বাংলা ও উর্দু
  • বাংলা ও অসমিয়া
  • বাংলা ও হিন্দি
  • বাংলা ও সংস্কৃত

৫৯. চর্যা শব্দের অর্থ কি ? [খাদ্য অধিদপ্তরে খাদ্য পরিদর্শক: ২০০১ ]

  • আচরণ
  • প্রকৃত
  • শুদ্ধ
  • আচার

৬০. চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেন কে? কত সালে ? [এবি ব্যাংক :২০১৩ ]

  • সুনীতি কুমার,১৯২৭
  • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,১৯২৭
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী,১৮২৭
  • মুনিদত্ত,১৯১৭

৬১. চর্যাপদের মূল বিষয়বস্তু কোনটি ? [রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।ইউনিট : E: ০৭-০৮ ]

  • বৌদ্ধধর্ম প্রচার
  • কাহিনী বর্ণনা
  • দেহতত্ত্ব
  • বৌদ্ধধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা

৬২. চর্যাপদের বয়স আনুমানিক কত বছর ? [ পানি উন্নয়ন বোর্ড : ২০১৯]

  • ৮০০ বছর
  • ১০০০ বছর
  • ১১০০ বছর
  • ১২০০ বছর

৬৩. চর্যাপদ কোন সময়ের রচনা ? [ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সহকারী: ২০১৯]

  • ৬৫০-১২০০
  • ৬৫০-৯০০
  • ৯৫০-১২০০
  • ৭৫০-১০০০

৬৪. চর্যাপদে মোট কতটি পদ পাওয়া গেছে ? [পরিবেশ অধিদপ্তরের অফিস সহকারী:২০০৭ ]

  • একান্নটি
  • ছেচল্লিশটি
  • সাড়ে ছেচল্লিশটি
  • পঞ্চাশটি

৬৫. চর্যাপদের ভাষায় কোন ভাষাটির প্রভাব দেখা যায় ? [ উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা : ২০১৩]

  • অসমীয়া
  • উড়িয়া
  • মৈথিলী
  • কোল ভাষা

৬৬. চর্যাপদে কতটি প্রবাদবাক্য পাওয়া যায় ? [পরিবেশ অধিদপ্তরের রিসার্স অফিসার:২০০৭ ]

  • ৪টি
  • ৫টি
  • ৬টি
  • ৭টি

৬৭. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে প্রাচীনতম চর্যাকার কে ? [ অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা-২০০৪ ]

  • ভূসুকুপা
  • সরহপা
  • শবরপা
  • কাহ্নপা

৬৮. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে চর্যাপদের রচনাকালঃ [ অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা-২০০৪]

  • ৬০০ - ৮০০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৬০০ - ১০০০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৮০০ - ১২০০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৬০০ - ১২০০ খ্রিস্টাব্দ

৬৯. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কত বছরের পুরনো বলে মনে করা হয় ? [ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা-:২০০৪]

  • এক হাজার
  • দু হাজার
  • তিন হাজার
  • চার হাজার

৭০. চর্যাপদের বেশির ভাগ পদ কত চরণে রচিত ? [অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা-:২০০৪ ]

  • আট
  • চৌদ্দ
  • বারো
  • দশ

৭১. কাহ্নপা বিরচিত পদের সংখ্যা কত ? [B ইউনিট বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় : ১৯-২০ ]

  • ২টি
  • ৫টি
  • ৭টি
  • ১৩টি

৭২. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের নিদর্শন কোনটি ? [ বাংলাদশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা -২০১৭]

  • নিরঞ্জনের রুষ্মা
  • দোহাকোষ
  • গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস
  • ময়নামতির গান

৭৩. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কবে সম্পাদিত আকারে চর্যাপদ প্রকাশ করেন ? [ আল-আরাফাহ ব্যাংক :২০১৩]

  • ১৯০৭ সালে
  • ১৯০৯ সালে
  • ১৯১৬ সালে
  • ১৯২৩ সালে

৭৪. চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় কে অনুবাদ করেন ? [ বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার: ২২ ]

  • মুনিদত্ত
  • প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  • কীর্তিচন্দ্র
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
Full Stack Web Developer & Content Creator

Post a Comment

NextGen Digital Welcome to WhatsApp chat
Howdy! How can we help you today?
Type here...