Home » বাংলা সাহিত্য » মুনীর চৌধুরী

মুনীর চৌধুরী

Admin March 09, 2026 0 Questions

মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১)

বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, অসাধারণ বক্তা, সৃজনশীল নাট্যকার, তীক্ষ্ণধী সমালোচক ও সফল অনুবাদক মুনীর চৌধুরী। সাহিত্য, ধ্বনিতত্ত্বের গবেষণা ও তুলনামূলক সমালোচনায় তিনি রেখে গেছেন অনন্য পাণ্ডিত্য ও উৎকর্ষের ছাপ। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক নাটক ও নাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ।

মুনীর চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম

সাহিত্যিক উপাদানসাহিত্যিক তথ্য
জন্মমুনীর চৌধুরী ২৭ নভেম্বর, ১৯২৫ সালে মানিকগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন । পৈতৃক নিবাস- নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার গোপাইরবাগ গ্রামে।
পুরো নামপুরো নাম আবু নায়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী । অধ্যাপক কবীর চৌধুরী তার ভাই এবং ফেরদৌসী মজুমদার তার বোন।
রবীন্দ্রসংগীত প্রচার২২ জুন, ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও বেতারমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন জাতীয় পরিষদে এক বিবৃতিতে রেডিও ও টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।
বর্ণমালা সংস্কার১৯৬৮ সালে বাংলা বর্ণমালা সংস্কার পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন।
পুরস্কার ও সম্মাননাতিনি নাটকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২), . দাউদ পুরস্কার (১৯৬৫) পান। তিনি ১৯৬৬ সালে 'সিতারা- ই-ইমতিয়াজ' খেতাব লাভ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৭১ এর মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক আহূত অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে এ খেতাব বর্জন করেন ।
বাংলা টাইপ রাইটারপ্রথম বাংলা টাইপ রাইটার নির্মাণ করেন মুনীর চৌধুরী। এটি ‘মুনীর অপটিমা’ নামে পরিচিত। ১৯৬৫ সালে এটি উদ্ভাবন করেন ।
নাটকতাঁর রচিত নাটকগুলো:

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২): এটি তাঁর রচিত প্রথম নাটক। ১৭৬১ সালের পানিপথের ৩য় যুদ্ধের কাহিনি এর উপজীব্য। নাট্যকার ইতিহাস থেকে এর কাহিনি গ্রহণ করেননি, কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ থেকে এর কাহিনি গ্রহণ করেছেন। এই নাটকটির জন্য তিনি ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। চরিত্র: জোহরা, ইব্রাহীম কার্দি।

‘কবর' (১৯৬৬): এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে ১৯৫২-৫৪ সাল পর্যন্ত কারাভোগ করেন। বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী এ নাটকটি ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় রচনা করেন। ১৯৫৩ সালে কারাগারেই ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টায় ফণী চক্রবর্তীর নির্দেশনায় রাজবন্দীদের দ্বারা এটি প্রথম মঞ্চায়ন করা হয় কারাভ্যন্তরেই। এটি একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক। ১৯৫৬ সালে প্রথম প্রকাশ্যে নাটকটি মঞ্চস্থ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি সংসদের একুশ উদযাপন উপলক্ষে । ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে ‘দৈনিক সংবাদ' পত্রিকার ‘আজাদী সংখ্যায় প্রথম ছাপা হয়। পরবর্তীতে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়।

'মানুষ' (১৯৪৭): ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে রচিত। নাট্যকার এখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে মানবিকতাকে স্থান দিয়েছেন।

‘নষ্ট ছেলে' (১৯৫০): এটি রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ নাটক ।

‘দণ্ডকারণ্য' (১৯৬৬): এতে তিনটি নাটক আছে। যথা: দণ্ড,দণ্ডধর, দণ্ডকারণ্য।

‘রাজার জন্মদিন' (১৯৪৬),

'চিঠি' (১৯৬৬),

“পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য' (১৯৬৯)।
অনূদিত নাটকতাঁর অনূদিত নাটকগুলো:

‘কেউ কিছু বলতে পারে না' (১৯৬৭): এটি জর্জ বার্নাড শ'র You never can tell এর অনুবাদ ।

‘রূপার কৌটা' (১৯৬৯): এটি গলস ওয়ার্দির The Silver Box থেকে অনূদিত ।

‘মুখরা রমণী বশীকরণ' (১৯৭০): এটি শেক্সপিয়রের Taming of the Shrew এর অনুবাদ ।
প্রবন্ধতাঁর রচিত প্রবন্ধগুলো:

‘মীর মানস' (১৯৬৫): এর জন্য তিনি ১৯৬৫ সালে দাউদ পুরস্কার লাভ করেন।

‘তুলনামূলক সমালোচনা' (১৯৬৯),

‘বাংলা গদ্যরীতি' (১৯৭০)।’
মৃত্যু১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে স্বাধীনতাবিরোধী আলবদর বাহিনী তাঁকে ধরে নিয়ে যায় এবং আর খুঁজে পাওয়া যায় নি।

বিয়োগান্তক নাটক হিসেবে ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' এর পরিচয়

সাহিত্যকর্মে, বিশেষভাবে নাটকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ যখন তার পরিণতিতে প্রধান চরিত্রের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনে তখন তাকে সাধারণভাবে বিয়োগান্তক নাটক বলে । ১৭৬১ সালের পানিপথের (বর্তমান ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের অন্তর্গত প্রাচীন যুদ্ধক্ষেত্র) ৩য় যুদ্ধের কাহিনি এর উপজীব্য। প্রশিক্ষিত মুসলিম যোদ্ধা ইব্রাহীম কার্দি মুসলিম শিবিরে চাকরি না পেয়ে মারাঠা কর্তৃক চাকরি পায় এবং সমাদৃত হয়। যুদ্ধ শুরু হলে ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রী জোহরা মন্নুবেগ ছদ্মনাম ধারণ করে এসে স্বামীকে মুসলিম শিবিরে ফিরিয়ে নিতে চেষ্টা করে। ইব্রাহীম কার্দি বিশ্বাসঘাতকতা না করে মারাঠাদের জন্য যুদ্ধে জীবন দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। নায়ক ইব্রাহীম কার্দির মৃত্যু নাটকটিকে ট্র্যাজিক করে তোলে। এটি ঐতিহাসিক নাটক নয়, ইতিহাস-আশ্রিত ট্র্যাজিক নাটক। এ নাটকের বিখ্যাত উক্তি- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়।'

'কবর' নাটক এর পরিচয়

মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে মুনীর চৌধুরী এদেশীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘কবর' নাটকটি রচনা করেন। বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে পাকিস্তান সরকার মুনীর চৌধুরীকে ১৯৫২ সালে আটক করে জেলে প্রেরণ করে। জেলে থাকা অবস্থায় বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তিনি ১৭ জানুয়ারি, ১৯৫৩ সালে এ নাটকটি রচনা করেন। ১৯৫৩ সালে কারাগারেই রাজবন্দীদের দ্বারা এটি প্রথম মঞ্চায়ন করা হয়। ‘কবর' নাটকে দেখা যায়, রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবীর মিছিলে পুলিশ গুলি করে এবং কারফিউ জারি করে। রাতের আঁধারে বাংলার দামাল ছেলেদের গুলিবিদ্ধ লাশ গুম করার দায়িত্ব দেয়া হয় পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ ও নেতাকে। ছিন্নভিন্ন লাশ কবরস্থ না করে মাটিচাপা দেয়ার সিদ্ধান্তে বাধা দেয় গোর-খোদক ও মুর্দা ফকির। পরবর্তীতে লাশগুলো জিন্দা হয়ে কবরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। উল্লেখ্য, এতে কোনো নারী চরিত্র নেই।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর

১. মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি ? [ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা: ১৫]

  • পলাশী ব্যারাক
  • ফিট কলাম
  • রূপার কৌটা
  • রক্তাক্ত প্রান্তর

২. মুনীর চৌধুরীর ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ একটি— [ ৩৮তম বিসিএস ]

  • উপন্যাস
  • ছোটগল্প
  • প্রবন্ধ
  • অনুবাদ নাটক

৩. ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক কোন পটভূমিতে লিখিত ? [ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তা : ১০]

  • পানি পথের যুদ্ধ
  • পাক-ভারত যুদ্ধ
  • খন্দকের যুদ্ধ
  • ইরান-ইরাকের যুদ্ধ

৪. ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীর পটভূমিতে রচিত ‘কবর’ নাটকের রচয়িতা কে ? [ ২১তম/১৮তম বিসিএস]

  • জসীম উদ্দিন
  • নজরুল ইসলাম
  • মুনীর চৌধুরী
  • দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

৫. মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’ কোন শ্রেণির রচনা ? [উপ খাদ্য পরিদর্শক : ১২ ]

  • কবিতা
  • নাটক
  • প্রবন্ধ
  • ছোটগল্প

৬. কবর নাটকটি সর্বপ্রথম কোথায় অভিনীত হয় ? [ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তা : ১০]

  • বাংলা টেলিভিশনে
  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
  • ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
  • রমনা বটমূলে

৭. ‘কবর’ নাটকের রচয়িতা ? [ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা : ১৯]

  • শহীদুল্লাহ কায়সার
  • জহির রায়হান
  • মুনীর চৌধুরী
  • সত্যেন সেন

৮. নিচের কোন নাটকটি মঞ্চায়ন করা হয় একটি কারাগারে ? [ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ( খ ইউনিট ) : ২০০১-০২]

  • কারাগার
  • কবর
  • নীলদর্পণ
  • সিরাজউদ্দৌলা

৯. মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের পটভূমি হলো- [ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক : ১৯]

  • পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  • ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
  • ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  • উপরের কোনটিই নয়

১০. মুনীর চৌধুরী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকাকালীন কোন বিখ্যাত নাটকটি লিখেছিলেন ? [জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অধীনে সহকারী সচিব : ৯৬ ]

  • শঙ্খনীল কারাগার
  • কবর
  • নুরুলদীনের সারা জীবন
  • সেনাপতি

১১. রক্তাক্ত প্রান্তর কোন ধরনের গ্রন্থ ? [ মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের অধীন জুনিয়র অডিটর:১৪]

  • ঐতিহাসিক নাটক
  • নাটক
  • উপন্যাস
  • কবিতা গ্রন্থ

১২. শেক্সপীয়রের 'টেমিং অব দি শ্রু'র বঙ্গানুবাদ করেছেন- [ বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক : ১৪]

  • আবদুল গাফফার চৌধুরী
  • সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  • মুনীর চৌধুরী
  • কবীর চৌধুরী

১৩. 'দণ্ডকারণ্য' নাটকের রচয়িতা কে ? [ পানি উন্নয়ন বোর্ড :১৯]

  • মুনীর চৌধুরী
  • শওকত ওসমান
  • আবু ইসহাক
  • এনামুল হক

১৪. ‘তোমাকে দেখব বলে যতোবারই চোখ খুলতে চাইছি ততোবারই রক্তের ঝাপটায় সব গুলিয়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে।’ উক্তিটি কার ? [ কর্মসংস্থান ব্যাংক এসিস্ট্যান্ট অফিসার : ০১]

  • ইব্রাহীম কার্দি
  • দিলীপ
  • মন্নুবেগ
  • জরিনা

১৫. '..... মাইকেল -রবীন্দ্রনাথ-নজরুল ইসলাম আমার মাতৃভাষা।' উক্তিটি __ [ বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক : ১৮ ]

  • মুহম্মদ শহীদুল্লাহর
  • মুহম্মদ আবদুল হাই -এর
  • মুনীর চৌধুরীর
  • মুহম্মদ এনামুল হকের

১৬. মুনীর চৌধুরী রচিত নাটকের নাম- [ শ্রম পরিদপ্তরে জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা : ০৯]

  • সুবচন নির্বাসনে
  • রক্তাক্ত প্রান্তর
  • এখন দুঃসময়
  • সমতট

১৭. মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি ? [ ৩৬তম বিসিএস]

  • কবর
  • চিঠি
  • রক্তাক্ত প্রান্তর
  • মুখরা রমণী বশীকরণ

১৮. ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে ? [প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া) : ১২]

  • জহির রায়হান
  • শিশর ভাদুরী
  • শওকত ওসমান
  • মুনীর চৌধুরী

১৯. মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কি ? [ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সিনিয়র অফিসার : ১১]

  • ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগ
  • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  • ১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলন
  • ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ

২০. কোনটি ঐতিহাসিক নাটক ? [ ১৩তম বিসিএস ]

  • শর্মিষ্ঠা
  • রাজসিংহ
  • পলাশীর যুদ্ধ
  • রক্তাক্ত প্রান্তর

২১. মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' কোন শ্রেণির নাটক ? [ বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন এর সহকারী পরিচালক: ০৬]

  • পৌরাণিক
  • সামাজিক
  • ঐতিহাসিক
  • রূপক

২২. ‘কবর’ কোন শ্রেণির গ্রন্থ ? [সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার : ১০ ]

  • স্মৃতিকথা
  • উপন্যাস
  • নাটক
  • প্রবন্ধ

২৩. কোন সাহিত্যিক ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের শহিদ বুদ্ধিজীবী ? [বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মেইল অপারেটর: ১৯ ]

  • জহির রায়হান
  • নিজাম উদ্দিন
  • অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন
  • মুনীর চৌধুরী

২৪. বাংলায় টাইপ রাইটার নির্মাণ করেন- [বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন পদ: ২৩/ বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারী কমান্ডেট: ০৭ ]

  • আবদুল হাই
  • হুমায়ুন আহমেদ
  • মোস্তফা জব্বার
  • মুনীর চৌধুরী
No comments
Post a Comment