Home » বাংলা সাহিত্য » আবদুল্লাহ আল মামুন

আবদুল্লাহ আল মামুন

Admin March 09, 2026 0 Questions

আবদুল্লাহ আল মামুন (১৯৪২-২০০৮)

আবদুল্লাহ আল মামুন ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা ও প্রখ্যাত নাট্যকার। তিনি সাম্রাজ্যবাদী নাটক রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন । বাংলাদেশের সমসাময়িক পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়ের বিপক্ষে তিনি জীবনভর নাট্য রচনা অব্যাহত রাখেন ।

আবদুল্লাহ আল মামুনের সাহিত্যকর্ম

সাহিত্যিক উপাদানসাহিত্যিক তথ্য
জন্মআবদুল্লাহ আল মামুন ১৩ জুলাই, ১৯৪২ সালে জামালপুর সদরের আমড়া পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
নাট্যসংগঠনতিনি নাট্যসংগঠন ‘ থিয়েটার ’ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
মহাপরিচালকতিনি জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (১৯৯১-২০০১) এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (২০০১) ছিলেন ।
পুরস্কারতিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৪), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ।
প্রথম নাটকতাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক ‘ শপথ ’ (১৯৬৪)।
নাটকসমূহতাঁর রচিত নাটকসমূহ:
‘সুবচন নির্বাসনে’ (১৯৭৪): স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সমাজে যে মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দেয়, তাকে কেন্দ্র করেই এ নাটকটি রচিত।
‘এখনও ক্রীতদাস' (১৯৮৪): এ নাটকে ঢাকা শহরের ‘গলাচিপা’ বস্তির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়ার পরিবারের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের নিম্নবর্গের মানুষের অসহায় জীবনযাপনের ইতিবৃত্ত। এতে পুরুষতান্ত্রিক, পুঁজিতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারীদের উপর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
‘কোকিলারা' (১৯৯০): ঢাকা গাইড হাউস মিলনায়তনে ১৯ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয় এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৯০ সালে। এ নাটকটি তিন কোকিলার কাহিনি। প্রথম কোকিলা সরল বালিকা, চোর সাব্যস্ত হয়ে শেষে আত্মহত্যা করে। দ্বিতীয় কোকিলা নিরীহ প্রাণী, স্বামীর ভোগপণ্যরূপে মধ্যবিত্ত সংসারে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যায়। তৃতীয় কোকিলা প্রতিবাদী, সমাজের অন্যায় ও অমানবিকতার বিপক্ষে সে সর্বদা সোচ্চার। । বাংলাদেশের নারীদের তিনটি রূপ তিন কোকিলা। এটি এক চরিত্রনির্ভর নাটক। ফেরদৌসী মজুমদার কোকিলা নামে এই একক অভিনয় করেন।
‘এখন দুঃসময়' (১৯৭৫): বন্যা দুর্গত একটি গ্রামের পটভূমিতে নাটকটি রচিত।‘এবার ধরা দাও' (১৯৭৭),‘শাহজাদীর কাল নেকাব' (১৯৭৮),‘চারিদিকে যুদ্ধ’ (১৯৮৩),‘মেরাজ ফকিরের মা' (১৯৯৭)।
উপন্যাসতাঁর রচিত উপন্যাসসমূহ:
‘মানব তোমার সারা জীবন' (১৯৮৮),‘আহ দেবদাস’ (১৯৮৯),‘তাহাদের যৌবনকাল' (১৯৯১),‘হায় পার্বতী’ (১৯৯১),‘এই চুনীলাল’ (১৯৯৩),‘গুন্ডাপাণ্ডার বাবা' (১৯৯৩),‘খলনায়ক’ (১৯৯৭)
মৃত্যুতিনি ২১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার), ২০০৮ সালে মারা যান।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর

১. 'সুবচন নির্বাসনে' নাটকটির রচয়িতা কে ? [ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (ইছামতি) : ১০]

  • সেলিম আল দীন
  • আবদুল্লাহ আল মামুন
  • জিয়া হায়দার
  • আলাউদ্দিন আল আজাদ
No comments
Post a Comment